Skip to main content

চলতি বছর কানাডায় নতুন অভিবাসন চিত্র

 কানাডার অভিবাসন নীতি অনুসরণ করে প্রতিবছর প্রচুর অভিবাসী এখানে আসছে এবং কানাডা তাদেরকে স্বাগত জানাচ্ছে। গত বছর এক সাথে ২৫ হাজার সিরিয়ান শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দেশটি। যদিও কানাডিয়ানদের মধ্যে এই নিয়ে বিতর্ক আছে।
২০১৭ সালে অন্যান্য দেশ থেকে তিন লক্ষ ইমিগ্রেন্ট নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কানাডা। তবে এই সংখ্যা দুই লাখ ৮০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ তিন লাখ ২০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।

কানাডায় অভিবাসী আনার অন্যতম উদ্দেশ্য দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা। তাই আবারো ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার, কিউবেক স্কিলড ওয়ার্কার, প্রাদেশিক নমিনি প্রোগ্রাম (পিএনপি)-এ লোক আনা হচ্ছে।
কানাডাভিসা ডট কম অবলম্বনে সিবিএন২৪ জানিয়েছে, ইকোনোমিক প্রোগ্রাম ক্যাটাগরিতে চলতি বছর এক লাখ ৭২ হাজার পাঁচশ জন অভিবাসী নেয়া হবে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় সাড়ে সাত ভাগ বেশি। ছয়টি প্রোগ্রামের আওতায় এই ক্যাটাগরিতে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন। ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার (FSW), ফেডারেল স্কিলড ট্রেডস (FST), এবং কানাডা এক্সপেরিয়েন্স ক্লাস (CEC) প্রোগ্রামের আওতায় ২০১৭ সালে কানাডা সরকারের ইমিগ্রেন্ট নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৭১ হাজার ৭০০। তবে এর সীমা ৬৭ হাজার ৬০০ থেকে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার ৩০০ পর্যন্ত হতে পারে।
সূত্র আরো জানায়, ফ্যামিলি ক্লাস প্রোগ্রাম ক্যাটাগরিতে এ বছর অভিবাসী হয়ে কানাডায় আসতে পারবেন ৮৪ হাজার জন। স্পাউস, পার্টনারস, এবং ডিপেন্ডেন্ট চিলড্রেন প্রোগ্রামের আওতায় এ বছর ৬২ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬৬ হাজার ইমিগ্রেন্ট।
গভ:মেন্ট-অ্যাসিস্টেড রিফিউজি প্রোগ্রামের মাধ্যমে এ বছর ইমিগ্রেন্ট নেয়া হবে সাড়ে সাত হাজার। প্রাইভেট স্পন্সর রিফিউজিস প্রোগ্রামে ইমিগ্রেন্ট নেয়ার সীমা ১৪ থেকে ১৯ হাজার। ব্লেন্ডেড ভিসা অফিস রেফারড প্রোগ্রামের আওতায় ইমিগ্রেন্ট নেওয়া হবে এক হাজার ৫০০জন। প্রটেক্টেড পারসন্স ইন কানাডা এন্ড ডিপেন্ডেন্টস অ্যাব্রোড প্রোগ্রামে কানাডা সরকারের ২০১৭ সালের রেঞ্জ ১৩ থেকে ১৬ হাজার হলেও লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ ১৫ হাজার। হিউম্যানিটারিয়ান এন্ড আদার ক্যাটাগরিতে এ বছর কানাডা সরকারের ইমিগ্রেন্ট নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা তিন হাজার পাঁচ শত।
ফলে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি আবার কোনো কোনো ক্যাটাগরিতে কম অভিবাসীকে স্বাগত জানাবে কানাডা। অনেক সময় দেখা যায়, এই সব নিউজ শো করে এক শ্রেণির আদম ব্যাপারীরা মানুষকে প্রতারিত করে। তাই অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, নিজেরাই অনলাইনে আবেদন করে স্বল্প খরচে অল্প সময়ে কানাডা যাওয়া সহজ।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...