টেক জায়ান্ট গুগলের দীর্ঘ দিনের ‘ফ্লায়িং কার’ প্রকল্প কিটি হক অবশেষে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।
গতকাল সোমবার একটি ফ্লাইং কারের প্রদর্শন করেন গুগলের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ল্যারি পেজ। খবর সিএনএন।
এরআগে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ফ্লাইং কার এখন আকাশে উড়বার জন্য প্রস্তুত।
ল্যারি পেজ এক মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি ফ্লাইং কারটি ক্যালিফোর্নিয়া লেকের ওপর দিয়ে উড়াচ্ছেন।
এছাড়া রাস্তা ও অন্যান্য এলাকা দিয়ে কারটি ওড়াচ্ছেন তিনি।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, কিটি হক প্রজেক্টের কারটি সাধারন গাড়ির চেয়ে দেখতে অনেকটা ছোট। তবে দুই পাশে দুটো পাখা রয়েছে।
গুগল আশা করছে, এই বছরের শেষদিকে গাড়িটি বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এই ফ্লাইং কারটির দাম কেমন হেব, তা এখনো জানানো হয়নি।
কোম্পানিটির পক্ষ থেকে এরআগে জানানো হয়েছে, ফেডারেল এভিয়েশন প্রশাসন ইতিমধ্যেই নিরাপদ জায়গা দিয়ে উড়াবার অনুমোদন দিয়েছে।
তারা জানিয়েছে, এই কারটি চালাতে পাইলটের কোনো লাইসেন্স নিতে হবে না।
প্রশ্ন : কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর : কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

Comments
Post a Comment