Skip to main content

মুমিনুলের ১২০ বলে ১৫২

৯ রানের মধ্যে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের দুই ওপেনারকে তুলে নিয়ে দিনের শুরুতেই খুশির ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে প্রাইম দোলেশ্বরের ড্রেসিংরুমে। কিন্তু মুমিনুল হকের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তাদের সেই হাসিটা মিলিয়ে যেতে সময় লাগেনি বেশিক্ষণ। বাঁহাতি টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানের ১২০ বলে ১৫২ রানের অসাধারণ এক ইনিংসের সৌজন্যে আজ বিকেএসপিতে দোলেশ্বরকে ৩০৮ রানের বড় লক্ষ্য দিয়েছে গাজী। ছবি-শামসুল হক গত ১৮ এপ্রিল বিকেএসপিতেই জাতীয় দলের আরেক ওপেনার তামিম ইকবালের ব্যাটে উঠেছিল ঝড়! মোহামেডানের হয়ে তিনি খেলেছিলেন লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডটা (১৫৭)। আজ তামিমকে তো বটেই, শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান চামারা কাপুগেদারার লিস্ট ‘এ’ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ ১৬১ রানের রেকর্ডটিও ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল মুমিনুলের। ছবি-শামসুল হক সেটি যদিও হয়নি। তবে মুমিনুল যে ইনিংসটা খেলেছেন সেটি স্মৃতিতে থেকে যাবে বহুদিন। গায়ে ‘টেস্ট বিশেষজ্ঞ’ তকমা লেগে যাওয়া বাঁহাতি টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান স্ট্রোকের পসরা সাজিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চড়াও হয়েছেন প্রাইম দোলেশ্বরের বোলারদের ওপর। ছবি-শামসুল হক মুমিনুল ৫৪ বলে ফিফটি, ৮৯ বলে করেছেন সেঞ্চুরি। আর শেষ ৩১ বলে ৫২ রান—ফরহাদ রেজার বলে আবদুল মজিদের ক্যাচ হওয়ার আগে মুমিনুল করে গেলেন ১৫২ রান, লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে যেটি তাঁর সর্বোচ্চ। মুমিনুলের উইকেট থাকা মানেই তো চোখের প্রশান্তি এনে দেওয়া ব্যাটিংয়ের নিশ্চয়তা! স্লগ সুইপ, রিভার্স সুইপ, স্কয়ার ড্রাইভ, ডাউন দ্য উইকেটে এসে উড়িয়ে মারা—দেখার মতো সব শটে ১৬টি চারের সঙ্গে ৬টি ছক্কা, মুমিনুলের স্ট্রাইকরেট—১২৬.৬৭! ছবি-শামসুল হক মুমিনুলের দিনে জ্বলে উঠেছেন নাসির হোসেনও। এবার প্রিমিয়ার লিগে ধারাবাহিক ভালো খেলা নাসির অবশ্য আটকে গেছেন ৬৪ রানে। আরাফাত সানিকে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লু হয়েছেন জাতীয় দলের এই অলরাউন্ডার। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মুমিনুল-নাসিরের ১৫৩ রানের জুটিই গাজীকে পথ দেখিয়েছে। নাসির ফিরলে চতুর্থ উইকেটে মুমিনুল-পারভেজ রসুলের ১০১ রানের জুটি গাজীকে রানের পাহাড় গড়ার স্বপ্নই দেখিয়েছে। ছবি-শামসুল হক কিন্তু মুমিনুল ফিরতেই গাজী আর এগোতে পারেনি স্বচ্ছন্দে। ৪৪ রানের মধ্যে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে ৪৮.২ ওভারে তারা অলআউট ৩০৭ রানে। ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দোলেশ্বরের বোলারদের মধ্যে যা একটু সফল ফরহাদ রেজা। ছবি-শামসুল হক বিকেএসপির অন্য মাঠে কলাবাগান ক্রীড়াচক্র-লিজেন্ডস অব রপগঞ্জের ম্যাচ শুরু হয়েছে চার ঘণ্টা দেরিতে! গত কদিনের ঝড়-বৃষ্টিতে উইকেট ও মাঠ তৈরি না হওয়ায় ম্যাচ শুরু হয়েছে দুপুর ১টায়। ম্যাচ নেমে এসেছে ২৭ ওভারে।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...