Skip to main content

সখীপুরে আ’লীগ নেতার গলিত মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের সখীপুরে হত্যাকাণ্ডের পাঁচদিন পর মোহাম্মদ আলী (৫৫) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতার অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হতেয়া হলুদিয়াচালা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাতিজা ও নাতি মোহাম্মদ আলীকে হত্যা করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। মোহাম্মদ আলীর বাড়ি উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের হতেয়া কাজীপাড়া গ্রামে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। তিনি স্থানীয় কাজীপাড়া বাজারে সারের ব্যবসা করতেন। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহাম্মদ আলী তার ভাতিজা রফিকুল ইসলাম ও নাতি পনিরকে নিয়ে মির্জাপুর উপজেলার হাটুভাঙ্গায় এক আত্মীয় বাড়ি যাওয়ার কথা বলে একই মোটরসাইকেলে করে বাড়ি থেকে বের হন। রাতে ভাতিজা রফিকুল ইসলাম ও নাতি পনির বাড়ি ফিরে এলেও মোহাম্মদ আলী ফেরেননি। সেসময় থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকায় পরদিন শুক্রবার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোশারফ হোসেন মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে মঙ্গলবার দুপুরে রফিকুল ইসলামের বড় বোন ও পনিরের মা আছিয়া বেগম মোবাইল ফোনে স্থানীয় ইউপি সদস্য হামিদুল হকের কাছে মোহাম্মদ আলীকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি খুলে বলেন। আছিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে মির্জাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতেয়া হলুদিয়াচালার একটি সড়কের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের ভেতর থেকে পুলিশ মোহাম্মদ আলীর অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করে। মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইন উদ্দিন বাংলানিউজকে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...