মাগুরায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে দশম শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করা হয়েছে।
মাগুরার শালিখা উপজেলার দক্ষিণ শরুশুনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শালিখা উপজেলার দক্ষিণ শরুশুনা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী মেয়েটি একই স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
মেয়েটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে মেয়েটি পেটে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করলে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়। পরবর্তীতে আল্ট্রাসোনগ্রাফী করার পর ধরা পড়ে সে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরে মেয়েটি তার মায়ের কাছে সব কথা খুলে বলে।
এ ব্যাপারে মাগুরা শালিখা থানার ওসি রবিউল হোসেন জানান, সোমবার মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মেয়েটির মেডিক্যাল চেকআপ শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশ্ন : কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর : কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...
Comments
Post a Comment