ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় আব্দুল ফাফি তোশা (৩) নামে এক শিশুর অপহরণের দুইদিন পর গলাকাটা অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ৮নং নন্দুয়া ইউনিয়নের মুনিষগাঁও সিরাজ মাস্টারের বাড়ির খড়ের গাদায় শিশুর লাশটি পাওয়া যায়।
আব্দুল ফাফি তোশা ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ৮নং নন্দুয়া ইউনিয়নের মুনিষগাঁও গ্রামের মো. মাসুদ রানার ছেলে।
জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল আনুমানিক সকাল ৮-৯ টার মধ্যে শিশু তোশা অপহৃত হয়। অপহরণের ৬ ঘণ্টা পরেই তার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ চাওয়ার পর থেকেই আর কোনও ফোন করেনি অপহৃতকারীরা। পরে শুক্রবার সকালে তোশার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে রানীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম জানান, দুদিন ধরে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
প্রশ্ন : কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর : কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...
Comments
Post a Comment