গেলবারের মতো নয়, এবারের আইপিএল মিশন শেষ করে নীরবে দেশে ফিরলেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।
বুধবার বিকেলে ভারত থেকে ফেরেন মুস্তাফিজ। তবে এবার গতবারের মতো ফুলের তাজ নিয়ে অপেক্ষা ছিল না কেউ।
গত মৌসুমে প্রথমবার আইপিএল খেলতে গিয়েই সাড়া জাগিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। একের পর এক ম্যাচে দারুণ বোলিংয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শিরোপা জয়ে রেখেছিলেন বড় অবদান। নিজে পেয়েছিলেন টুর্নামেন্টের ইমার্জিং ক্রিকেটারের স্বীকৃতি।
এবারও দারুণ কিছুর আশায় মুস্তাফিজ মাঠে নেমেছিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে। তবে ২.৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকায় আর কোনো ম্যাচে সুযোগ পাননি তিনি।
এদিকে ত্রি-দেশীয় ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে শুক্রবারই দেশ ছাড়ার কথা মুস্তাফিজ ও সাকিবের।
প্রশ্ন : কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর : কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...
Comments
Post a Comment