Skip to main content

মুশফিক-মুমিনুলের হাফ সেঞ্চুরি



তামিম উঠে গিয়েছেন ভ্রমণজনিত ক্লান্তির কারণে। মাত্র ১৩ বলে তার সংগ্রহ ৫ রান। সৌম্য সরকার এবং ইমরুল কায়েস ভালো খেলতে খেলতেও আউট হয়ে গেলেন। মাঝারিমানের দুটি ইনিংস খেলেছেন এই দু’জন। ৪৩ রান করেছিলেন সৌম্য এবং ইমরুল করেছিলেন ৩৪ রান।

তবে ইমরুল আর সৌম্য আউট হয়ে গেলেও দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রাণান্তকর চেষ্টা করলেন টেস্টে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক এবং অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম। দু’জন মিলে গড়েন ১১৯ রানের অনবদ্য একটি জুটি।


মুমিনুল-মুশফিকের জুটির ওপর ভর করে বড় সংগ্রহের পথেও এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। দু’জনই দেখা পেয়েছেন হাফ সেঞ্চুরির। তবে বাংলাদেশ দলের দুর্ভাগ্য। দু’জনই তারা আউট হয়েছেন ৬০ থেকে ৭০ এর দশকের মধ্যে। ১১৭ বল খেলে ৬৮ রান করেন মুমিনুল হক। ১১৫ বল খেলে মুশফিক করেন ৬৩ রান।

বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানদের ওপর গতির ঝড় বইয়ে দিলেন ১৯ বছর বয়সী মিডিয়াম পেসার মাইকেল কোহেন। মাত্র একটি প্রথম শ্রেণি এবং ২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা কোহেন যেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য মুর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিলেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ৬ উইকেট হারিয়ে রান তুলেছে ২২১। এর মধ্যে ৪টিই নিয়েছেন মাইকেল কোহেন। ১টা করে নিয়েছেন মিগায়েল প্রিটোরিয়াস এবং স্পিনার শন ফন বার্গ। বাংলাদেশের হয়ে উইকেটে রয়েছেন সাব্বির রহমান রুম্মন ৫ রানে এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ২ রানে।

মুমিনুল আর মুশফিক দারুণ ব্যাটিং করলেও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলেন না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মিডল অর্ডারের এই ব্যাটসম্যান ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই মাইকেল কোহেনের বলে ক্রিস্টেনসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এছাড়া কোহেনের হাতে উইকেট হারিয়েছেন লিটন কুমার দাসও। ৩ বল খেলে তিনিও কোনো রান করতে পারেননি।

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...