Skip to main content

রোহিঙ্গা নির্যাতনের তথ্য প্রকাশ করলে ফেসবুক আইডি বন্ধ!



বুধবার আমেরিকা ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডেইলি বিস্টের বরাতে দ্য গার্ডিয়ানে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
রোহিঙ্গাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাজ করেন এমন কয়েকজন এ দাবি করেছেন। তারা জানান, মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাদের ওপর যে পাশবিক নির্যাতন চালাচ্ছে সে ছবি ও ভিডিওগুলো ফেসবুক থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, অ্যাকাউন্টগুলো সাময়িক স্থগিত করা হচ্ছে। এরই মধ্যে অনেক অ্যাকাউন্ট বন্ধও করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে বসবাসকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি নিজেদের আত্মপরিচয় নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশটির কতৃপক্ষ তাদের ‘রোহিঙ্গা’ হিসেবে পরিচয় দিতে নারাজ।
সরকারের দাবি এরা অবৈধ নাগরিক। অন্যদিকে, রোহিঙ্গারা নিজেদেরকে মিয়ানমারের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়ছিলো।
এরই মধ্যে গেলো মাসের শেষ দিকে জঙ্গি সংগঠন সলিডারিটি অর্গানাইজেশন অব রোহিঙ্গা (আরএসও) রাখাইনে কয়েকটি নিরাপত্তা বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন নিহত হন।
এর জের ধরে সরকারি বাহিনী রাখাইনের গ্রামগুলোতে সেনা অভিযান শুরু করে। এতে নারী, শিশুসহ নির্দোষ অনেকেই হতাহত হন। গ্রামের পর গ্রাম আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়।  বাধ্য হয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নিতে থাকেন।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) মতে এ পর্যন্ত ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরনার্থী বাংলাদেশের উপকূলে অবস্থান নিয়েছে।
মিয়ানমার সরকারের দাবি, রাখাইনে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করা হচ্ছে’। যদিও বিশ্বের কোন সংবাদ সংস্থা বা মানবাধিকার সংগঠনকে সেখানে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না তারা।
তাই সেখানে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ অন্যান্য সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যম কেন্দ্র করেই তথ্য আদান প্রদান করা হচ্ছে।
মোহাম্মদ রহিম নামে আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী এক রোহিঙ্গা নেতা জানান, গেলো ২৮ আগস্ট রাখাইনে নির্যাতনের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করার দায়ে তার অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ করা হয়।
এখনো তার কাছে নির্যাতনের অনেক তথ্য প্রমাণ থাকলেও অ্যাকাউন্ট হারানোর ভয়ে এখন এসব পোস্ট করা থেকে বিরত রয়েছেন।
এ বিষয়ে ফেসবুকের মুখপাত্র রুচিকা বুধরাজা বলেন, আমরা একটি নিরাপদ ও সম্মানসূচক জায়গা নিয়ে কাজ করছি, যেখানে মানুষ দায়িত্বের সঙ্গে সব ভাগাভাগি করে নিবে।
তিনি বলেন, আমরা চেস্টা করছি ফেসবুকের নিজস্ব কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড রক্ষা করার।
এসব ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলার বিষয়ে রুচিকা বুধরাজা বলেন, কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের বাইরে থাকার কারণেই সেগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।
ওয়াই/এসজে

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...