Skip to main content

ফেনীতে আট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা


ডাক্তার সেজে হাসপাতালের পরিচালক রোগী দেখাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ফেনীতে আট বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে মোট আড়াই লাখ টাকা জরিমারনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানার নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয় ।

সোহেল রানা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শহরের ট্রাংক রোডের নিরাময় মেডিক্যাল সেন্টারে ডা. মো. মিজানুর রহমান এফসিপিএস পাস না করা সত্ত্বেও এফসিপিএস পদবী ব্যবহার করেন। ওই সেন্টারে এক্সরে রুমে কোনও সিলিং এবং এক্সরে ব্যবহারের লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিক সাহাব উদ্দিনকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।


ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
সোহেল রানা বলেন, ‘লাইফ ডেন্টাল কেয়ারের পরিচালক এমদাদুল হক রাজীব নিজেই ডাক্তার সেজে রোগী দেখছেন।  ভ্রাম্যমাণ আদালতের টিম সেখানে গিয়ে এ চিত্র দেখতে পায়।  এমদাদুল হক রাজীব ৩শ টাকা ভিজিটও আদায় করছেন। এই অপরাধে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।’

এছাড়া ই-স্কয়ার ল্যাবকে এক্সরে যন্ত্রের লাইসেন্স না থাকায় ৪০ হাজার টাকা, নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লাইসেন্স ও মূল্য তালিকা না টানানোর অপরাধে ১০ হাজার টাকা, আল-কেমী হাসপাতালের লাইসেন্স না থাকার অপরাধে ২০ হাজার টাকা, আল বারাকা হাসপাতালকে লাইসেন্স না থাকার অপরাধে ২০ হাজার টাকা ও হায়দার ক্লিনিক প্রাইভেট হাসপাতালের সালেহ উদ্দিন হায়দারকে ৩০ শয্যার হাসপাতালকে ৩১ শয্যা বানানো, ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবহেলা ও লাইসেন্স না থাকার কারণে ৫০ হাজার  টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সোহেল রানা।

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...