Skip to main content

জাতিসংঘের সামনে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমর্থকদের বোতল ছোড়াছুড়ি




নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে বৃহস্পতিবার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে তুমুল হট্টগোল হয়েছে। দু'পক্ষের মধ্যে পানির বোতল ছোড়াছুড়ি ঘটনাও ঘটে। নিউইয়র্ক পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় পুলিশের একজন কর্মকর্তা সামান্য আহত হয়েছেন। দু'পক্ষের মাঝখানে ব্যারিকেড থাকায় বড় ধরণের সংঘর্ষ বাঁধেনি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে স্বাগত জানাতে জাতিসংঘের সামনে পূর্বনির্ধারিত শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠন। এর নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন একই স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি দেয়। এর নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান, আকতার হোসেন বাদল প্রমুখ।



নিউইয়র্ক পুলিশ একই স্থানে সমাবেশের অনুমতি দিলেও ব্যারিকেড দিয়ে আলাদা করে দেয়। দু'পক্ষ নির্ধারিত স্থানে পক্ষে-বিপক্ষে স্লোগান দেয়। এ নিয়ে দুপক্ষের কর্মীদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে শুরু হয় পানির বোতল ছোড়াছুড়ি। পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দু'পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নেয়। এসময় পুলিশ দুপক্ষকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানায়। কিন্তু পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে এলে পুলিশ দুপক্ষকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ থাকায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিপুল নেতা-কর্মী জাতিসংঘ ভবনের ভেতরে ছিলেন। বিএনপির তুলনায় আওয়ামী লীগের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। বিএনপির বিক্ষোভে নিউইয়র্ক, নিউজার্সিসহ আশেপাশের রাজ্য থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী যোগ দেন।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যকার এই হট্টগোলে কার্যত বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ প্রবাসীরা।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।