Skip to main content

এলগারের মতো আক্ষেপ আরও ৯ ব্যাটসম্যানের



                     ১৯৯ রানে আউট হয়ে ফিরছেন এলগার



সেঞ্চুরির ঠিক আগ মুহূর্তে তার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে যান অভিষিক্ত এইডেন মারক্রাম। সে কারণেই হয়তো ডিন এলগারের সেঞ্চুরি উদযাপনে উচ্ছ্বাস চোখে পড়েনি। ডাবল সেঞ্চুরি উপভোগ করতে চেয়েছিলেন প্রাণভরে। কিন্তু ক্রিকেট-দেবতার লেখা কলমে দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনারের জন্য ছিল অন্যকিছু। উপলক্ষের মঞ্চটা উৎসবের বদলে তাকে আবারও পোড়ালো যন্ত্রণায়। মাত্র এক রানের জন্য মিস করলেন টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি! যে কারণে মাঠ থেকে প্যাভিলিয়নের দূরত্বটা এলগারের জন্য হয়ে উঠলো ‘সীমাহীন’ পথ। টেস্ট ক্রিকেটের দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি আউট হলেন ১৯৯ রানে।

‘নার্ভাস নাইনটি’র যন্ত্রণায় বিদ্ধ হয়েছেন ক্রিকেটের বহু রথী-মহারথী। তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন এলগার। একবার মেহেদী হাসান মিরাজের বল ডাউন দ্য উইকেটে এসে ব্যাট চালিয়েছিলেন সজোরে। বল ব্যাটের কানায় লেগে উঠে গেলেও বেঁচে যান তিনি। সেবার বাঁচলেও শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা পাননি এলগার। মোস্তাফিজুর রহমানের খাটো লেন্থের বল পুল করতে গিয়ে তুলে দিয়েছেন মুমিনুলের হাতে। আর দিয়েই বুঝেছেন, কী ভুলটাই না করেছেন! মাত্র এক রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি বেরিয়ে গেছে মুঠো গলে।

টেস্ট ক্রিকেটের দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৯৯ রানে আউট হলেন এলগার। প্রথমবার এমন আক্ষেপে পুড়েছিলেন পাকিস্তানের মুদাসসর নজর, ১৯৮৪ সালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি মিস করেছিলেন তিনি। দুই বছর পর মোহাম্মদ আজাহারউদ্দিনও পুড়েছিলেন একই হতাশায়। এরপর ম্যাথু এলিয়ট, সনাথ জয়াসুরিয়া, স্টিভ ওয়াহ, ইউনুস খান, ইয়ান বেল, স্টিভেন স্মিথ এবং লোকেশ রাহুলের এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। এবার তাদের সঙ্গী হলেন এলগার। ক্রিকইনফো

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...