Skip to main content

মিয়ানমার থেকে লাখ টন আতপ চাল কিনবে বাংলাদেশ



মিয়ানমারের কাছ থেকে এক লাখ টন আতপ চাল কিনবে বাংলাদেশ। প্রতি টনের দাম পড়বে ৪৪২ ডলার। আগামী তিন মাসের মধ্যে মিয়ানমার বাংলাদেশকে এ চাল দেবে। আজ সোমবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ে মিয়ানমারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মিয়ানমার থেকে এক লাখ টন আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) গতকাল রোববার থেকে শুরু হয়েছে। গতকালের তুলনায় আজ চাল বিক্রি বেড়েছে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া, বগুড়াসহ বিভিন্ন মিলে অভিযান চালানোর ফলে চালের দর আজ একটু নিম্নমুখী বলে তাঁর দাবি। চালের এ সমস্যা নিয়ে আগামীকাল দুপুরে মিলমালিক, আমদানিকারক, চাল ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভা করা হবে।
তবে এ বিষয়ে চুক্তি হতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগবে। দুই দেশের ক্রয়সংক্রান্ত কমিটি চাল ক্রয়ের এই সমঝোতার বিষয়টি অনুমোদন করলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হবে। গতকাল রোববার ও আজ মিয়ানমারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে চাল ক্রয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চাল ক্রয়ের আগ্রহ দেখানো হলেও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে ওই চালের দাম বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি চাওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ আতপ চাল কেনার ব্যাপারে রাজি হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) বদরুল হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরও কম দামে চাল কেনার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু মিয়ানমার রাজি না হওয়ায় প্রতি টন চাল ৪৪২ ডলারে ক্রয়ের সমঝোতা হয়। আমরা আশা করছি, প্রথম দফায় এক মাসের মধ্য ৩০ হাজার টন চাল বাংলাদেশে পৌঁছাবে।’
বাংলাদেশর পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ কায়কোবাদ। মিয়ানমারের পক্ষে আলোচনায় ছিলেন রাইস ফেডারেশনের কর্মকর্তারা।
৭ সেপ্টেম্বর খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের নেতৃত্ব একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমার যায়। ৮ সেপ্টেম্বর তিন লাখ টন চাল আমদানির ব্যাপারে সমঝোতা স্মারক সই হয়। সেখানে কথা হয়, মিয়ানমারের একটি দল বাংলাদেশে আসবে। তখন চাল আমদানির ব্যাপারে আলোচনা হবে। আলোচনা শেষে আজ এক লাখ টন আতপ চাল কেনার কেনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...