Skip to main content

সংসার নিয়ে ব্যস্ত দাপুটে অভিনেত্রী


সংসার। এই শব্দটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না। সংসার করে হয়তো কেউ সুখি অথবা কেউ দুঃখী। আর এই নিয়েই তো জীবন। সেই সংসার জীবনে কিছু চাওয়া থাকে, কিছু পাওয়া থাকে। কখনও পূরণ হয়, আবার কখনও পূরণ হয়না। কিন্তু তাই বলে তো আর থেমে নেই জীবন। অনেক স্বপ্ন নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে জীবন।

বেঁচে থাকতে হলে প্রয়োজন জীবিকার।সেই জীবিকার তাগিদেই সবাই যে যার মতো ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অথচ এই সংসার নিয়েই নিজেদের কর্মের জায়গা ছেড়ে দিয়ে শুধুমাত্র সংসার নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন এক সময়কার জনপ্রিয় ২ তারকা। তারা হলেন অভিনেত্রী রোমানা ও বিন্দু। তারা অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়লেও পরবর্তীতে তারা হয়ে উঠেছেন ‘ফুলটাইম সংসারী’। অভিনয় তো ছেড়েছেন, সেই সঙ্গে ছেড়েছেন নিজের দেশও।

রোমানা খান:
জনপ্রিয় অভিনেত্রী রোমানা খান। এ মুহূর্তে আমেরিকাতে অবস্থান করছেন। স্থায়ীভাবেই বাস করছেন নিউইয়র্কে। দেশে ফিরবেন কি ফিরবেন না, এমন কিছুই জানা যায়নি। গত বছরই বিয়ে করেছিলেন আমেরিকার বাংলাদেশি প্রবাসী ও ব্যবসায়ী এলিন রহমানকে। এরপর থেকে স্বামীর সঙ্গে সেখানেই স্থায়ী হয়েছেন রোমানা। বিয়ের পর বেশ সুখেই আছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। আর সেটা তার ফেসবুক প্রোফাইলে গিয়ে দেখলে বোঝা যায়। নিউইয়র্কে থাকার কারণে দেশের শোবিজ অঙ্গনের বন্ধুদের সঙ্গেই যোগাযোগ নেই রোমানার। শুধু তাই নয়, বিয়ের পরপরেই তিনি ঘোষণা দিয়ে অভিনয় ছেড়ে দেন। ব্যস্ত হয়ে ওঠেন তার সংসার জীবন নিয়ে।

আফসানা আরা বিন্দু:
বিন্দু লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগীর মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। যদিও তিনি সেখানে প্রথম রানার আপ হয়েছিলেন। বিন্দুর প্রথম চলচ্চিত্র হুমায়ূন আহমেদের ‘দারুচিনি দ্বীপ’ ছিল ব্যবসায়িকভাবে সফল। ধীরে ধীরে তিনি মডেল এবং উপস্থাপক হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। এরপর 'জাগো' তার আরও একটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র। বিন্দু অসংখ্য জনপ্রিয় টেলিফিল্ম, নাটক, মডেলিং এবং বিজ্ঞাপণ চিত্রে কাজ করেছেন। তার সর্বশেষ অভিনীত ‘এইতো প্রেম’ চলচ্চিত্রটি গত ১৩ মার্চ ২০১৫ মুক্তি পায়। কিন্তু এর আগে ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর আমেরিকা প্রবাসী আসিফ সালাহউদ্দিন মালিকের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যান। তারপর থেকেই তিন আর অভিনয়ে নিয়মিত হতে পারেননি। তার ঘোষণা দিয়েই মিডিয়া ছেড়ে দেন তিনি। স্বামীর সঙ্গে আমেরিকাতে এখন বর্তমানে সংসার নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বিন্দু।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...