Skip to main content

এ কেমন কটূক্তি বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ে?

 আফ্রিকার একসময়ের জনপ্রিয় ক্রিকেটার অ্যালান ডোনাল্ড বাংলাদেশের বোলারদের ‘স্মার্ট’ হওয়ার তাগিদ দিয়ে  বলেছেন, ‘বাংলাদেশের বোলারদের স্মার্ট হতে হবে। শুধু দক্ষতা থাকলেই সফল বোলার হওয়া যায় না; সাফল্য পেতে হলে স্মার্টনেসটা খুব জরুরি। যদি ওয়ালশের থেকে ওরা কিছু শিখতে না পারে, তাহলে বলব যথেষ্ট স্মার্ট ওরা নয়।’

চলমান বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়ানডে সিরিজে নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন অ্যালান ডোনাল্ড।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বেশ কিছু ভালো বোলার আছে। কিন্তু বুদ্ধি করে বোলিং করতে তেমন কাউকে দেখি না। অবশ্য এতটা বলা আমার হয়তো ঠিক হচ্ছে না। কারণ আপনাদের দেশের সব খেলা যে বল ধরে ধরে আমি দেখি, তা নয়।’

এ সময় সাবেক পেসার ফিরে যান তার সময়ের গল্পেও, ‘আমি মনে করি, নিজের বোলিংয়ের সময় বোলাররাই অধিনায়ক। দলের অধিনায়ক ফিল্ডিং সাজাবেন সত্যি কিন্তু পরিকল্পনাটি বোলারের সঙ্গে মিলে করতে হয়। আমরা যেমনটা করতাম। হ্যান্সি (ক্রনিয়ে), আমি, শন (পোলক) মিলে খুঁজে বের করতাম ব্যাটসম্যানের দুর্বলতা। ওদের জন্য ফাঁদ পেতে কিভাবে আউট করা যায়। আমি তো আজ বাংলাদেশের কোনো বোলারকে দেখলাম না, অধিনায়কের সঙ্গে গিয়ে কথা বলতে।

অ্যালান ডোনাল্ড বলেন, ‘বাংলাদেশের বেশ কিছু ভালো পেসার রয়েছে। কিন্তু যথেষ্ট স্মার্ট না ওরা। আপনাদের অধিনায়ককে শুধু দেখলাম বুদ্ধি করে বোলিং করছে। ও মার খেতে পারে, কিন্তু মনে হচ্ছে তারই কেবল একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে। মুস্তাফিজকে দেখেছি। ওই বাঁহাতি ছেলেটি তো আইপিএলে এক মৌসুম খুব ভালো করল। কিন্তু ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টির সঙ্গে টেস্টের অনেক পার্থক্য। উপমহাদেশের উইকেটের সঙ্গে বাইরের দেশের উইকেটের পার্থক্যও বিশাল। এই চ্যালেঞ্জটাই ওকে নিতে হবে। উপমহাদেশের স্টিকি উইকেটে হয়তো সাফল্য পেয়েছে কিন্তু বিশ্বমানের হতে হলে এমন ফ্ল্যাট উইকেটেও সফল হতে হবে। ’

সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় অনেকে দোষ চাপাচ্ছেন পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের ঘাড়ে। তবে তেমনটা মানছেন না তিনি- ‘বোলারদের প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হবে। আর কোর্টনির কাছ থেকে বের করে নিতে হবে সেরাটা। তা না হলে সেটি হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য বড্ড দুঃখজনক ব্যাপার। ’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে কোর্টনির দোষ কোথায়? সর্বকালের অন্যতম সেরা একজন ফাস্টবোলারকে কোচ হিসেবে পেয়েছে বাংলাদেশ। আপনাদের বোলাররা যদি ওর কাছ থেকে শিখতে নাপারে, এটি তাদের ব্যর্থতা। তাই নয় কি?’

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...