Skip to main content

এবার ফোরজি ভার্সনে আছে নকিয়া ৩৩১০


থ্রিজি ভার্সনের পর এবার ফোরজি ভার্সনে আছে নকিয়া ৩৩১০। সম্প্রতি ফোরজি ভার্সনের নকিয়ার এই ফোনটি চীনের মোবাইল ফোন সার্টিফিকেশন অথোরিটি টিইএনএএ-তে তালিকাভূক্ত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ফোরজি ভার্সনের নকিয়া ৩৩১০ বাজারে পাওয়া যাবে।

ফোরজি ভার্সনের নকিয়া ৩৩১০ এর মডেল নম্বর টিএ-১০৭৭। ফোনটি টিইএনএএ-এর তালিকাভূক্ত আছে।

নকিয়ার এই ফিচার ফোনটি আলিবাবার ইয়ুন অপারেটিং সিস্টেমে চলবে। এই অপারেটিং সিস্টেম অ্যানড্রয়েডের কাস্টমস ভার্সন।

এবছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে নকিয়া তাদের নস্টালিজিক এই ফোন প্রদর্শন করে। এর কয়েক মাস পর ফোনটি বাজারে আসে। শুরুতে ফোনটি টুজি ভার্সনে পাওয়া যাচ্ছিল। গ্রাহকদের অনুরোধের সেপ্টেম্বরে বাজারে আসছে নকিয়া ৩৩১০ এর থ্রিজি ভার্সন। এবার আসছে ফোরজি ভার্সন।

নকিয়া পাওয়ার ইউজার ওয়েবসাইটের তথ্য মতে, ফোনটি ফেব্রুয়ারিতে প্রদর্শন করা হবে। এর পরের মাস অর্থাৎ মাসে ফোনটি বাজারে বিক্রি করা হবে।

নকিয়া ৩৩১০ ফোনটিতে রয়েছে ২.৪ ইঞ্চির কিউভিজিএ ডিসপ্লে। ডিসপ্লের রেজুলেশন ২৪০X৩২০ পিক্সেল। এতে ৩.৫ মিলিমিটারের অডিও জ্যাক রয়েছে। 

ব্যাকআপের জন্য ফোনটিতে ১২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্যাটারি আছে। এইচএমডি গ্লোবাল দাবি করছে নকিয়া ৩৩১০ এক চার্জে চলবে টানা ২৪ দিন।


ফোনটি এফএম রেডিও এবং এমপিথ্রি প্লেয়ার আছে। এর বিল্টইন মেমোরি ১৬ এমবি। যা মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে ৩২ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।


ফিচার ফোন হলেও এতে রিয়ার ক্যামেরা রয়েছে। এতে ফ্লাশ সমৃদ্ধ ২ মেগাপিক্সেলের রিয়ার শুটার ব্যবহার করা হয়েছে।

ফোনটিতে নকিয়ার জনপ্রিয় গেম স্নেক বিল্টইন রয়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...