Skip to main content

মহাখালীতে তৈরি হচ্ছে আইফোন!


রাজধানীর মহাখালীতে নিউ ডিওএইচএসের একটি বাসায় নকল আইফোন তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দুপুরে সেখানে অভিযান চালিয়ে ৩৬টি আইফোন জব্দ করেছেন শুল্ক গোয়েন্দারা।
শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে নিউ ডিওএইচএসের ২৭ নম্বর রোডের ৩৫৬ নম্বর বাসায় ‘টি জে ইলেকট্রনিক লিমিটেড’ নামের নকল ফোন তৈরির প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৬টি আইফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশও সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের উপ-পরিচালক পায়েল পাশা বলেন, ‘আমাদের কাছে গোপন তথ্য ছিল এখানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আইফোন এনে বিক্রি করা হয়। কিন্তু এসে দেখলাম বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোজনের মাধ্যমে নকল আইফোন তৈরি হয়।’
৩৬টি আসল আইফোন পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে এগুলোর আমদানির কোনো বৈধ কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেননি। অভিযানকালে কিছু এইচটিসি ও এলজি হ্যান্ডসেট উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকশ’ আইফোনের খালি বাক্স পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছ, এই মোড়কেই নকল আইফোন বিক্রি করা হত। এভাবে নকল আইফোন তৈরির মাধ্যমে একদিকে গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে, আবার অন্যদিকে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ জনকে আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নকল আইফোন তৈরির যন্ত্রাংশ হিসেবে ব্যাটারি, র‌্যাম, মাদার বোর্ড জব্দ করে নিয়ে গেছেন শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।


এদিকে আটক কর্মচারীরা দাবি করেছেন, তারা নকল আইফোন তৈরি করেন না। অনলাইনের মাধ্যমে সার্ভিসিংয়ের জন্য আইফোন সংগ্রহ করা হয়। পরে সেগুলো আবার গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়।
র‌্যাবের সহযোগিতায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের নেতৃত্বে এ অভিযান বেলা ১১টায় শুরু হয়, শেষ হয় দুপুর ২টায়।
এরআগে অবৈধ আইফোন জব্দে সকাল থেকে গুলশান-উত্তরা-বসুন্ধরা সিটিতেও অভিযান চালিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দারা।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...