Skip to main content

পেঁপে পাতার গুণ জানেন কি?



পেঁপের গুণ সবার জানা। কিন্তু পেঁপে পাতারও যে রয়েছে বিশেষ কিছু গুণ সেটা হয়ত আমাদের অনেকেরই অজানা। আমরা সাধারণত বাজার থেকে পেঁপে কিনে এনেই খাই। তবে ইচ্ছা করেই পেঁপের পাতা খুঁজে এনে আমরা ব্যবহার করতে পারি। আসুন জেনে নেই পেঁপে পাতার গুণাবলী।
পাকস্থলীর আলসার
পেঁপে পাতা পাকস্থলীর প্রদাহ কমায় এবং এইচ পাইলোরি নামের ব্যাকটেরিয়া যা মূলত আলসারের জন্য দায়ী, তা ধ্বংস করে । কোষ্ঠকাঠিন্য
পেঁপে পাতায় রয়েছে ‘কারপেইন’ যা পাকস্থলীতে সমস্যা সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্যাপেইন, প্রোটিন এনজাইম এবং অ্যামাইলেইজ এনজাইম যা গম জাতীয় খাবারের গ্লুটেন ভেঙ্গে তা হজম উপযোগী করে তোলে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে। ক্যান্সার
পেঁপে পাতায় অ্যাচেটোজেনিন নামে একধরনের উপাদান আছে, যা ক্যান্সার কোষকে শরীর থেকে বের করে দিতে পারে অথবা নষ্ট করে ফেলতে পারে। জাপান ও ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই নিয়ে নানারকম গবেষণা হয়েছে যেখানে দেখা গিয়েছে, পেঁপে পাতা ক্যান্সার নিরাময়ে কার্যকরী। বিশেষ করে জরায়ু ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার এবং ফুসফুসের ক্যান্সার। 
ডেঙ্গু
পেঁপে পাতার রস রক্তের প্লেটেলেট সংখ্যা বাড়ায়। হৃদরোগ
পেঁপে পাতা করোনারি হার্ট ডিজিজ এবং হার্ট-এর অন্যান্য সমস্যা দূর করে। পেঁপে পাতা ভিটামিন সি, বি (নিয়াসিন) এবং পটাশিয়াম-এ ভরপুর যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
ব্রণ
শুকনো পেঁপে পাতা জল দিয়ে বেটে ব্রণর উপরে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। ৩-৪দিন নিয়মিত লাগালেই ব্রণ গায়েব। ম্যালেরিয়া
পেঁপে পাতার রস ম্যালেরিয়ারও প্রতিষেধক।

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...