Skip to main content

স্কটল্যান্ডে জন্মাচ্ছে মাদকাসক্ত শিশু



স্কটল্যান্ডে মাদকাসক্ত শিশু জন্মাচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য বোর্ড। ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬০০টি মাদকাসক্ত শিশু জন্মেছে।
রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, স্কটল্যান্ডের গ্রেটার গ্লাসগো ও ক্লাইড এলাকায় বিশেষ করে এই সমস্যা তীব্রতর হচ্ছে। গত তিন বছরে এই দুটি এলাকায় ১৭৮টি এমন ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির স্বাস্থ্য বোর্ডের তথ্য অনুসারে, এই তিন বছরে ৫৮৪টি নবজাতকের মধ্যে নিউওনাটাল অ্যাবস্টিনেন্স সিন্ড্রোম(এনএএস) দেখা গেছে। ২০১৫-১৬ তে ২০৩টি শিশু, ২০১৬-১৭ তে ১৯০টি শিশু এবং ২০১৭-১৮ তে ১৯১টি শিশুর মধ্যে এই লক্ষণ দেখা যায়।
সাধারণত যেসব মা গর্ভাবস্থায় মাদকদ্রব্য গ্রহণ করে, তাদের শিশুর মধ্যে এনএএস দেখা যায়। তারা মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় মাদকাসক্ত হয়ে যায়। কিন্তু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর শিশুরা এই ধরনের কিছু (মাদক) পায় না। তাই তারা স্বাভাবিক শিশুর মতো আচরণ করে না। তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থেকে থেকে কেঁপে ওঠে। তাদের মধ্যে অতিরিক্ত সক্রিয়তা এবং কান্নার লক্ষণ দেখা যায়।
দেশটির স্বাস্থ্য বোর্ডের তথ্য উপস্থাপন করে দেশটির উদারপন্থি এবং সামাজিক-উদারপন্থি রাজনৈতিক দল দ্য স্কটিশ লিবারেল ডেমোক্র্যাটস ‘আরও প্রগতিশীল’ মাদক অপব্যবহার রোধ নীতি প্রণয়ন প্রয়োজন বলে জানিয়েছে।
দলটির স্বাস্থ্য বিষয়ক মুখপাত্র অ্যালেক্স কোল-হ্যামিল্টন বলেন, স্কটল্যান্ডে গড়ে প্রতিদিন একটি করে শিশু এনএএস নিয়ে জন্মাচ্ছে। এই অবস্থা খুবই মারাত্মক।
এদিকে এই বিষয়ে স্কটিশ সরকার বলেছে, তারা প্রত্যেক শিশুকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...