Skip to main content

লাখ টাকার চেক ফিরিয়ে দিলেন তাঁরা...



রাজধানীর ফকিরাপুলের পানির ট্যাংকি–সংলগ্ন সড়ক দিয়ে মতিঝিল যাচ্ছিলেন তৈরি পোশাক কারখানা আইএফএস টেক্স ওয়্যারের দুই কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন ও সাহাদাত হোসেন। সড়কে ব্র্যাক ব্যাংকের একটি চেক পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। হাতে নিয়ে দেখেন চেকে সই করা আছে, তারিখ ২৯ মার্চের। টাকার পরিমাণ দুই লাখ। ব্যাংকে গেলেই তোলা যাবে টাকাটা।
তবে দুজনই সিদ্ধান্ত নেন, চেকটা গ্রাহককে ফেরত দিতে হবে। এ জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় যান তাঁরা। শাখা ব্যবস্থাপক মাহফুজুর রহমানকে গিয়ে ঘটনা খুলে বলেন। পরে ব্যাংকের পক্ষ থেকে ওই চেকের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ফেরত দেওয়া হয় চেকটি। ঘটনাটি গতকাল বুধবার বিকেলের।
ব্র্যাক ব্যাংকে বসে আইএফএস টেক্স ওয়্যারের মহাব্যবস্থাপক (ফাইন্যান্স) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সই করা এই চেকটার কারণে কারও চাকরি চলে যেতে পারে। কারও সংসার ভেঙে যেতে পারে। কেউবা নিঃস্ব হয়ে যেতে পারে। আমি তো জানি না চেকটা কার। এ জন্য প্রকৃত মালিককে ফেরত দিতে ব্যাংকের শরণাপন্ন হয়েছি।’
একই প্রতিষ্ঠানের কমার্শিয়াল ব্যবস্থাপক সাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ফকিরাপুলের সড়ক দিয়ে আসার পথে চেকটা পেলাম। তখনই মনে হয় প্রকৃত মালিকের কাছে চেকটা ফেরত দিতে পারলেই বাঁচি।’
চেকটা কষ্ট করে ফেরত দিতে এলেন কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে দুজনের উত্তর, ‘ভাই, সবাই যদি খারাপ হয়ে যায়, দেশটা চলবে কীভাবে?’
ব্র্যাক ব্যাংকের মতিঝিল শাখার ব্যবস্থাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, দেশে এখনো ভালো মানুষ আছে। মাঝেমধ্যে এমন ভালো মানুষদের দেখা মেলে। অনেকে টাকাও ফেরত নিয়ে আসেন।

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...