Skip to main content

রোহিঙ্গাদের জন্য ৪০ টন ত্রাণ পাঠালো ইরান




বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য কার্গো বিমানে করে  ৪০ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে ইরান।
শুক্রবার বিকেলে এই ত্রাণ সামগ্রী গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী ও চট্টগ্রাম ৮ আসনের সংসদ সদস্য মইন উদ্দিন খান বাদল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইরান দূতাবাসের গণমাধ্যম ও গণযোগাযোগ কর্মকর্তা খন্দকার মো. মাহফুজুল হক।

ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে আসেন ইরানের ডেপুটি মিনিস্টার ইব্রাহিম রহিমপুর ও সংসদ সদস্য চেরারাণী। ৪০ টন ত্রাণের মধ্যে রয়েছে বিছানা, তাবু, কম্বল, বিস্কুট, শুকনো খাবার ও ওষুধ।
ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তর করে ইরানের ডেপুটি মিনিস্টার বলেন, নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের জন্য সামান্য ত্রাণ পৌঁছে দিতে পেরে ইরান অত্যন্ত আনন্দিত। আর রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আজ বিশ্বের মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধ হতে চলছে। ত্রাণ পৌঁছে দিয়ে এই বার্তাই দিতে চাই। ইরান যেকোন নির্যাতিত জাতির সাথে আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। ইরানের পক্ষ থেকে আপাতত ৪০ টন ত্রাণ পাঠানো হলো। পর্যায়ক্রমে আরো ত্রাণ আসবে। 
ত্রাণ সামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্বাস দিহনেভিসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা। এই ত্রাণ সামগ্রী আগামীকাল শনিবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হবে।
এর আগে গেলো বৃহস্পতিবার ৭ সেপ্টেম্বর ত্রাণ পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে ইরান দূতাবাস।
এদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বলেছে, মিয়ানমারে নৃশংসতার শিকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের কাছে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
সংস্থাটির কর্মকর্তা মোর্তজা সালিমি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানির নির্দেশে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর জন্য মিয়ানমার সরকার, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মিয়ানমার সরকারের অনুমতি পেলেই সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনেয়ী ও প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা-নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধের জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বানের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...