Skip to main content

দুই বোনকে আটকে রেখে পাঁচ দিন ধরে ধর্ষণ



গাজীপুরের শ্রীপুরে স্কুলে যাওয়ার পথে দুই বোনকে অপহরণের পর পাঁচ দিন ধরে ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা। এই অভিযোগে দুইজনকে আটক করে রবিবার সন্ধ্যায় পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

আটককৃত হানিফা (৩৫) গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার বেড়াইদেরচালা গ্রামের নুরুল হুদার ছেলে। অপরজন শাহিন আলম (১৮) একই গ্রামের হযরত আলী ছেলে।

ধর্ষণের শিকার কিশোরীদের স্বজনেরা ধর্ষিতাদের বরাত দিয়ে ঢাকাটাইমসকে জানান, ধর্ষিতা দুই কিশোরী পৌর এলাকার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তারা উভয়ই সম্পর্কে চাচাতো বোন। ১৮ অক্টোবর দুপুরে অষ্টম শ্রেণির মডেল টেস্ট পরীক্ষায় অংশ নিতে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে তাদের দুইজনকে জোর করে প্রাইভেট কারযোগে অপহরণ করেন অভিযুক্ত হানিফা ও শাহিন। পরে তারা পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সিড স্টোর বাজারের পাশে একটি বাড়িতে আটকে রেখে নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে গত পাঁচ দিন ধরে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এসময় তাদের শারীরিকভাবেও নির্যাতন করা হয়। বিশেষ কাজে অভিযুক্ত দুইজন বাসা থেকে বের হলে তাদের মুঠোফোনে বাড়িতে তাদের অবস্থান জানানো হলে পরিবারের লোকজন তাদের উদ্ধার করে ধর্ষকদের আটক করে নিয়ে এসে শ্রীপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এবিষয়ে গত ১৮ অক্টোবর কিশোরীদের পরিবার থেকে শ্রীপুর থানায় একটি অপহরণের অভিযোগও দায়ের করা হয়।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমান ঢাকাটাইমসকে জানান, অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এবিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(ঢাকাটাইমস

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...