Skip to main content

চূড়ান্ত আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সাথে বি. চৌধুরীর



একাদশ সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের হয়ে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেছেন বিকল্প ধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বি চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাড়ি গণভবনে প্রবেশ করেন। তিনি সোয়া এক ঘণ্টার মতো ছিলেন সেখানে।


বি চৌধুরীর সাথে ছেলে মাহি বি চৌধুরী ও বিকল্প ধারার মহাসচিব আবদুল মান্নানও ছিলেন।


 
তবে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর সাথে বৈঠকে বি চৌধুরী একাই ছিলেন বলে বিকল্প ধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহি জানিয়েছেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে জোটের নানা মেরুকরণের মধ্যে এই বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিকল্প ধারা কিংবা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মাহি সোমবার বলেছিলেন, ‘মহাজোটের সাথে ঐক্য নিয়ে আমাদের আলোচনা চলছে। হ্যাঁ, আমরা নিশ্চয়ই নির্বাচনে জয়ী হবেন, এমন প্রার্থী তালিকা নিয়েই আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা করব।’

জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠনের সময় এই দলের মহাসচিব ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা কফিল উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে ডা. বি চৌধুরী। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপতি হন তিনি। এরপর দলে মতদ্বন্দ্বের কারণে তাকে রাষ্ট্রপতির পদ হারাতে হয়েছিল। পরে তিনি বিকল্পধারা বাংলাদেশ নামে নতুন দল গঠন করেন।

রাজনৈতিক মেরুকরণে বিকল্প ধারার পাল্লা এতদিন বিএনপিমনাদের দিকেই ঝুঁকে ছিল। বিএনপিকে নিয়ে ড. কামাল হোসেনের উদ্যোগে গঠিত জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের প্রক্রিয়ায়ও ছিলেন তিনি।

কিন্তু শেষ মুহূর্তে বি চৌধুরী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন; এরপর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট থেকে নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয় তার দলের পক্ষ থেকে।

কদিন আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক সভায় বলেছিলেন, মহাজোটের শরিকদের ৬৫ থেকে ৭০টি আসন ছেড়ে দিতে পারেন তারা। সেখানে জোটের যোগ্য প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগ তাদের দলের নেতাদের মনোনয়ন দেবে না।

এরপর বিকল্প ধারা নিজেদের ‘উইনেবল ক্যান্ডিডেট’র তালিকা তৈরি করছে বলে দলটির নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়। এরপরই শেখ হাসিনার সাথে বৈঠকে গেলেন বি চৌধুরী।

বিকল্প ধারা ইতোমধ্যে ২৫ জন প্রার্থীর একটি তালিকা তৈরি করেছে বলে খবর মিলেছে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্যের কথায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুত ওই নেতা বলেন, ‘২৫ জন প্রার্থী থেকে কমপক্ষে ১৫ জনের মনোনয়ন পেতে দর কষাকষি করবে যুক্তফ্রন্ট।’



মধ্যবাড্ডায় ট্রপিক্যাল মোল্লা টাওয়ারে বিকল্পধারা ও যুক্তফ্রন্টের অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ে চলছে এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ পর্ব। যুক্তফ্রন্ট জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৫৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। তার মধ্য থেকে প্রথম দিনে ২০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

এদিকে বি চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আশা করি নির্বাচন সুন্দর ও সুষ্ঠু হবে। মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। ’

‘জনগণ নির্বাচন চায়, তারা নির্বাচনমুখী হয়ে গেছে। সেটাকে প্রতিহত বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা যদি করে কেউ, সেটা কিন্তু জনবিরোধিতা হবে।’

ইসির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সংবিধানে নির্বাচন কমিশনের যে দায়িত্ব দেওয়া আছে, তা বিশাল। আমরা আশা করব, নির্বাচনের দায়িত্ব সম্পর্কে ইলেকশন কমিশন পুরোপুরিভাবে সচেতন। আশা করব, তারা তাদের সেই অধিকার ১০০ ভাগ প্রয়োগ করবেন।’

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...