Skip to main content

নির্বাচনকে ঘিরে যে বার্তা দিলেন আল্লামা শফী


হেফাজতে ইসলাম কখনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না এবং নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী
মঙ্গলবার(২০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার মুখপাত্র মাসিক মুঈনুল ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক সরওয়ার কামালের প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।
হেফাজতের আমির বলেন, ‘হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। নির্বাচনে কাউকে সমর্থন করবে না হেফাজত। বিষয়টা অনেকবার বলা হয়েছে। হেফাজত এবং হেফাজত নেতাদের জড়িয়ে এসব তালগোল না পাকাতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।’
বিবৃতিতে হেফাজত আমির বলেন, ‘আমি নির্বাচনের অনুমতি কিংবা নির্দেশ কিছুই দেই নাই। নির্বাচনের প্রার্থী হতে আসে নাই। যারা আমার কাছ থেকে দোয়া নেয়ার কথা বলে নির্বাচন কিংবা মনোনয়ন নেয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তারা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমার সঙ্গে কারো কোনো কথা হয়নি।’
তিনি বলেন, যারা হেফাজতের নাম দিয়ে কিংবা আমার দোয়া নিয়ে অথবা আমার অনুমতি নিয়ে রাজনীতিতে নেমেছে- তা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার এবং ভ্রান্ত কথা। চ্যালেঞ্জ করে বলেন আমির, যে বা যারা আমার কাছ থেকে দোয়া নেয়ার দাবি করেছেন, তাদের আমার সামনে নিয়ে আসুন।
সর্তকতা করে বলেন, হেফাজত ইসলামের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত, আপনারা সতর্ক হোন যেন এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড প্রকাশ না পায়। কেউ নির্বাচন করলে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। এর জন্য হেফাজতে ইসলাম দায়ী নয়। আপনি যে কোনো রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচন করতে পারেন। কিন্তু হেফাজতে ইসলামের নাম বিক্রি করে অথবা হেফাজতে ইসলামের নামে কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান আল্লামা আহমদ শফী।

Comments

Popular posts from this blog

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ

ফরেইনারদের ব্যাপারে হোম আফেয়ার্স থেকে আদেশ জারী হয়েছে। দোকানে দোকানে তল্লাশী হবে। কাগজ ছাড়া পেলেই ধরে ফেলবে। কারো দোকান, অফিস আদালতে কাগজ ছাড়া লোক পেলে কোনো অজুহাত শোনা হবেনা, দোকানদারকে বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে গ্রেফতার করা হবে।

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...