Skip to main content

দুই ভারতীয়র এ কী লঙ্কাকাণ্ড কাবা শরীফে!



সৌদি আরবের মক্কার পবিত্র কাবা শরীফে গিয়ে লঙ্কাকাণ্ড করে বসলেন দুই ভারতীয়। কাবা চত্বরে কোনো দেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ হলেও ওই দুই ভারতীয় তা উপেক্ষা করেন। নিজ দেশের ছবি হাতে পবিত্র কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে গিয়ে লঙ্কাকাণ্ড করে বসেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মক্কার পবিত্র কাবা শরীফের সামনে পতাকা নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু ওই দুই ভারতীয় গোপনে পতাকা নিয়ে যান। শুধু তাই নয়, পতাকা মেলে ধরে ছবি তোলেন। এসময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এগিয়ে এসে বাধা দিলে তাদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওই দুই ভারতীয়। পরে তাদের আটক করে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী
গুজরাটের ভদোদরার সরফরাজ পার্ক এলাকার বাসিন্দা ইমতিয়াজ আলি সৈয়দ তার দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে মক্কায় গিয়েছিলেন ওমরাহ পালন করতে। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে কাবা চত্বরে ইমতিয়াজ তার ছেলে উজিরের সঙ্গে পতাকা হাতে ছবি তোলেন। সৌদি পুলিশ বাঁধা দিলে তাদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

পরে ইমতিয়াজের স্ত্রী ও সন্তান সৌদিতে থাকা এক আত্মীয়র সঙ্গে যোগাযোগ করেন। জেদ্দায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারা ওই ঘটনা জানার পর সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে তাদের তৎপরতায় শনিবার মুক্তি পায় দুই ভারতীয়।
ইমতিয়াজের ভাই ফাইয়াজ আলি বলেন, ভারতীয় পতাকা নিয়ে ছবি তোলার অপরাধে ইমতিয়াজ ও তার ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়। সৌদি আরবে কাবা শরীফে ছবি তোলার ব্যাপারে কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে।
এক টুইট বার্তায় সৌদিতে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস বলছে, কাবা চত্বরে কোনো দেশের জাতীয় পতাকা দেখানো নিষিদ্ধ। দূতাবাসের কর্মকর্তারা ইমতিয়াজ ও তার ছেলে উজিরের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে সৌদি পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...