Skip to main content

নোয়াখালীতে বিদেশগামীদের সঙ্গে এ কেমন প্রতারণা


২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিদেশগামীদের সঙ্গে প্রতারণা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অনিয়ম করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকাল থেকে জেলার বিভিন্নস্থান থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আসা শতাধিক প্রার্থীর সঙ্গে এ প্রতারণা ও অনিয়ম করা হয়।
কোরিয়াগামীরা জানান, বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার থেকে কোরিয়ার ভাষা শেখার প্রশিক্ষণ শেষ করে তারা পর্যায়ক্রমে লটারির মাধ্যমে ভাষা ও স্কিল বিষয়ক পরীক্ষা দেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর অনলাইনে পরীক্ষাসমূহের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে নোয়াখালীর দুই শতাধিক যুবক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। উত্তীর্ণ এসব যুবক আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা রয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা স্ব স্ব জেলার সিভিল সার্জনের মাধ্যমে সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সার্টিফিকেট জমা দিলে তাদের ভিসা প্রসেসিং শুরু করে।
কিন্তু রবিবার নোয়াখালীর শতাধিক বিদেশগামী সদর হাসপাতালে গেলে সেখানে তাদের কোনো পরীক্ষা না করিয়ে স্থানীয় গ্রামীণ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয় তাদেরকে। সেখানে ৫ হাজার টাকা দিয়ে তারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছে। আবার নির্দিষ্ট সময়ে রিপোর্টও পাচ্ছে না। এতে একদিকে অতিরিক্ত অর্থ গোনাসহ রিপোর্ট পেতেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী বিদেশেগামী যুবকরা সরকারি হাসপাতালের এ অনিয়ম দেখে দুদক অফিসেও ফোন করে জানায়।
দুদক সমন্বিত নোয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক মশিউর রহমান জানান, তারা জেনারেল হাসপাতালের এ অনিয়মের খবর পেয়ে ছুটে যান এবং গ্রামীন নামে বেসরকারি হাসপাতালে গেলে অবশ্য তাদের উপস্থিতি দেখে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বিদেশগামীদের কাছ থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাবাদ ৫ হাজার টাকার স্থলে সাড়ে ৩ হাজার টাকা নিতে রাজি হন।
এ বিষয়ে নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. বিধান চন্দ্র সেন গুপ্ত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে বিদেশেগামীদের সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন।
তিনি বলেন, সুপারেন্টেন্ডকে অবহিত করেছি। হাসপাতালটি দালালমুক্ত হয়নি। এক শ্রেণির চিকিৎসক ও দালাল মিলে এ সকল কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে।

Comments

Popular posts from this blog

কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন :  কোট, প্যান্ট, টাই পরলে কি গুনাহ হবে? উত্তর :  কোট, প্যান্ট, টাই এগুলো পরলে গুনাহ হবে মর্মে কোনো হাদিস, কোনো  দলিল, কোনো রেওয়ায়েত বা ফতোয়া কোথাও কিছু আসেনি। তবে পোশাকের সুনির্দিষ্ট যে কোড রয়েছে, তার মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট। সেটা হচ্ছে এই, মানুষ যে পোশাকগুলো পরবে, তার মধ্যে যেগুলো সতরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলো একটু ঢিলেঢালা হবে, যাতে করে এমন টাইট ফিটিং না হয় যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা যায়। এটা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকার মতো। যদি এমনটিই হয়, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিষেধ করেছেন। হাদিসের মধ্যে বলেছেন যে, তারা পোশাক পরিহিত হবে, কিন্তু তারা উলঙ্গ। এ জন্য পোশাকের যে ইসলামিক কোড রয়েছে, সেই কোড লঙ্ঘন করলে আপনার সতরও ঢাকা হবে না, পোশাক পরাও হবে না। এই পোশাক পরলে গুনাহের কাজ হবে। কিন্তু কেউ যদি প্যান্ট পরেন, আর সেই প্যান্ট যদি ঢিলেঢালা হয়, স্বাভাবিকভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখা না যায়, তাহলে এতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। অনুরূপভাবে টাইও এক ধরনের পোশাক। এটি হারাম কোনো পোশাক নয় যে নিষিদ্ধ হবে। কোনো অঞ্চলে এটা সৌন্দর্যের জন্য বা শীতের জন্য পরা হতে পারে। পোশাকের দুটি দিক রয়েছে। আল্লাহতা...

দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবা‌সী বি‌রোধী সমা‌বেশ

নুৃরুল আলম, দক্ষিণ আফ্রিকা: দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকায় অ‌ভিবাসী বি‌রোধী সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে প্রি‌টো‌রিয়ার ‘মা‌মে‌লো‌ডি স‌চেতন নাগ‌রিক’। অ‌বৈধ অ‌ভিবাসী‌দের দেশ‌ থে‌কে বের ক‌রে দেয়ার দা‌বি‌তে আগা‌মি ২৪ ফেব্রুয়া‌রি শুক্রবার এ সমা‌বে‌শের ডাক দি‌য়ে‌ছে সংগঠন‌টি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় সি‌টি হ‌লে সমা‌বেশ‌টি হ‌বে। সমাবেশে স্থানীয় আফ্রিকানদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গত  একমাস ধরে তারা লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে। ওই লিফলেটে বলা হয়েছে, এই সমাবেশ হচ্ছে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এবং ওই সকল কোম্পানী ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যারা জিম্বাবুয়েসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছে। যেখানে চাকরী করার কথা ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকানদের। ওই লিফলেটে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্যাশ এন্ড ক্যারি,  নানদোস, কেএফসি, স্পার, শপরাইটসহ বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে জিম্বাবুয়েসহ  (পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া) বিভিন্ন দেশের নাগরিক। স্থানীয়রা মনে করে, বিদেশী নাগরিকরা তাদের চাকরী কেড়ে নিয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছে,  নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানসহ আরো বিভিন্...

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছে কুকুরের মাংসের বিরিয়ানি। গত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক ইউজারদের ওয়ালে এমন একটি স্ট্যাটাস ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবিও যুক্ত আছে। এ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের মন্তব্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে। কুকুর বা শুকরের মাংস গরু-খাসি বলে বিক্রির ঘটনা নতুন নয়। কুকুর জবাই করে মাংস তৈরির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে বিরিয়ানির দোকান। তুলনায় কম দামে পেট ভরে খেতে উৎসুক অগণিত মানুষ। সাধ্যের মধ্যে গরু-খাসির বিরিয়ানির দাম ৯০ থেকে ১২০ টাকা। এই বিরিয়ানি নগরবাসীর প্রথম পছন্দের খাবর। তাই বিরিয়ানির ব্যবসাও রমরমা। কিন্তু, গরু-খাসির এই বিরিয়ানি এত কম দামে বিক্রি হয় কিভাবে! আসল ঘটনা জানলে আঁতকে উঠবেন। গরু-খাসির বিরিয়ানি বলে যা বিক্রি হচ্ছে, তা রান্না হয় কুকুরের মাংস দিয়ে। এক ফেসবুক ব্যবহারকারী কুকুর জবাই করে মাংস বানানোর ছবি সংযুক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। ২৮ মার্চ দেওয়া তার ওই স্ট্যাটাসটি হাজার হাজার শেয়ার হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘গরু-খাসির মাংসের বিরিয়ানি আজ থেকে হোটেলে খাওয়া বর্জন করুন। মাংস দিয়ে খেলে মু...